জীবনে একবারের সফর — ভরসার হাতে ছেড়ে দিন। প্রশিক্ষণ, ভিসা, হারামের পাশে হোটেল আর প্রতিটি ধাপে অভিজ্ঞ মোয়াল্লেম — দায়িত্ব আমাদের, আপনি শুধু ইবাদতে মন দিন।
মিকাত থেকে নিয়ত ও তালবিয়া পাঠের মাধ্যমে পবিত্র অবস্থায় প্রবেশ। পুরুষদের জন্য সেলাইবিহীন দুই টুকরা সাদা কাপড়।
২
তাওয়াফ
طَوَاف
কাবা শরীফকে বামে রেখে সাতবার প্রদক্ষিণ — হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু, প্রতিটি চক্করে দোয়া।
৩
সাঈ
سَعْي
সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাতবার যাতায়াত — মা হাজেরা (আঃ)-এর স্মৃতির অনুসরণ।
৪
মিনায় অবস্থান
مِنَى
৮ জিলহজ্জ (ইয়াওমুত তারবিয়া) মিনার তাঁবুর শহরে যাত্রা — জোহর থেকে পরদিন ফজর পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত মিনায়। হজ্জের দিনগুলোর মূল আবাসস্থল এই তাঁবুই।
৫
আরাফাহর অবস্থান
عَرَفَة
৯ জিলহজ্জ দুপুর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাহর ময়দানে অবস্থান — হজ্জের মূল রুকন।
৬
মুযদালিফায় রাত
مُزْدَلِفَة
আরাফাহ থেকে ফিরে খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন এবং রমির জন্য কংকর সংগ্রহ।
৭
রমি, কোরবানি ও হলক
رَمْي الْجِمَار
জামারাতে কংকর নিক্ষেপ, কোরবানি এবং মাথা মুণ্ডন — এরপর ১১–১২ জিলহজ্জ (আইয়ামে তাশরিক) মিনায় থেকেই প্রতিদিন তিন জামারায় রমি।
৮
বিদায়ী তাওয়াফ
طَوَاف الْوَدَاع
মক্কা ত্যাগের আগে পবিত্র ঘরের শেষ প্রদক্ষিণ — অশ্রুসিক্ত বিদায়।
হারামে প্রবেশ
কোন গেট দিয়ে ঢুকবেন — নম্বর ধরে চিনে নিন
মসজিদুল হারামের শতাধিক গেটের প্রতিটির ওপরে নম্বর লেখা থাকে। সঠিক গেট চিনলে মাতাফে পৌঁছানো, হুইলচেয়ারের লিফট পাওয়া — সবই সহজ।
১
বাব আল-মালিক আবদুল আজিজ
باب الملك عبد العزيزদক্ষিণ পাশ — ক্লক টাওয়ার / আজইয়াদের দিক
প্রধান প্রবেশপথ — ভেতরে ঢুকে সোজা এগোলেই মাতাফ; তাওয়াফ শুরু করতে সবচেয়ে সহজ পথ
হুইলচেয়ার ও ইলেকট্রিক স্কুটার ভাড়ার কাউন্টার এই গেটের কাছেই
সবচেয়ে ভালো: সরাসরি মাতাফে যেতে
৫
বাব আল-উমরাহ
باب العمرةউত্তর-পশ্চিম পাশ
উমরাহকারীদের প্রচলিত প্রবেশপথ — তানঈম (মসজিদে আয়েশা) থেকে এলে এই গেটই সুবিধাজনক
এই পথেও মাতাফে সহজে পৌঁছানো যায়
সবচেয়ে ভালো: উমরাহর ইহরাম নিয়ে ঢুকতে
৭৯
বাব আল-মালিক ফাহদ
باب الملك فهدপশ্চিম পাশ
এস্কেলেটর ও লিফট — দোতলা ও ছাদের মাতাফে উঠতে সুবিধা
নিচতলায় বেশি ভিড় থাকলে এই পথই ভালো বিকল্প
সবচেয়ে ভালো: উপরের তলায় তাওয়াফে
১০০
বাব আল-মালিক আবদুল্লাহ
باب الملك عبد اللهউত্তর পাশ — নতুন সম্প্রসারণ
হুইলচেয়ার র্যাম্প ও লিফটের সবচেয়ে সহজ ব্যবস্থা — দোতলার হুইলচেয়ার মাতাফ রিংয়ে ওঠা যায়
বয়স্ক ও অসুস্থ হাজীদের আমরা সাধারণত এই পথেই নিয়ে যাই
সবচেয়ে ভালো: হুইলচেয়ারে তাওয়াফে
উমরাহর পরে মক্কায়
হারামে একটি দিন — ইবাদতের রুটিন
উমরাহ শেষ, হাতে কয়েকটি দিন — সময়টা কীভাবে সাজাবেন? অভিজ্ঞ মোয়াল্লেমদের পরামর্শে সাজানো দিনলিপি।
ভোররাত
তাহাজ্জুদ ও ফজর — বরকতময় সূচনা
তাহাজ্জুদ ও ইস্তেগফার (ঐচ্ছিক, অতি ফজিলতপূর্ণ)
ফজরের জামাত হারামে — আগে গিয়ে জায়গা নিন
সূর্যোদয় পর্যন্ত কুরআন ও সকালের জিকির
সকাল
ইশরাক ও দোহা
সূর্যোদয়ের পর ইশরাক ২ রাকাত
সালাতুদ দোহা (২–৮ রাকাত)
নফল তাওয়াফ / কুরআন তিলাওয়াত
নাস্তা ও বিশ্রাম (আনু. ৭:৩০–৯:০০)
দুপুর
জোহর — দিনের শিখর
আজানের আগে হারামে পৌঁছে যান
জোহরের আগে-পরে সুন্নত
নফল তাওয়াফ / সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম
দুপুরের খাবার (আনু. ১:০০–২:৩০)
বিকেল
আসর — জিকির ও দোয়া
জামাতে আসর
দীর্ঘ জিকির ও দোয়া (আসরের পর নফল সালাত নেই)
কুরআন তিলাওয়াত চালিয়ে যান
সন্ধ্যা
মাগরিব — শুকরিয়া
মাগরিবের জামাত ও ২ রাকাত সুন্নত
আউওয়াবিন (ঐচ্ছিক ৬ রাকাত)
নফল তাওয়াফ / জিকির ও দোয়া
রাতের খাবার (আনু. ৭:৩০–৮:৩০)
রাত
ইশা ও গভীর রাত — সমাপ্তি ও বিশ্রাম
ইশার জামাত ও সুন্নত
বিতর — রাতের শেষ সালাত
নফল তাওয়াফ (রাতে ভিড় কম, সওয়াব অনেক)
পর্যাপ্ত ঘুম — পরদিনের প্রস্তুতি
হারামে কাটানো সময় সর্বোচ্চ কাজে লাগান — পরিমাণ নয়, মান, ইখলাস ও নিরবচ্ছিন্ন জিকিরই আসল। আপনার ইবাদত কবুল হোক, ইনশাআল্লাহ।
জিয়ারা ও দর্শনীয় স্থান
মক্কা, মদিনা ও তায়েফ — কোথায় কী দেখবেন
প্যাকেজের সাথে নিয়মিত জিয়ারা তো থাকছেই — কোন জায়গার কী ইতিহাস, কীভাবে যাবেন, খরচ কেমন — সফরের আগেই জেনে নিন।
মক্কা
মিনা, আরাফাহ ও মুযদালিফা
হজ্জের মাশায়ের — মিনার তাঁবুর শহর, আরাফাহর জাবালে রহমত আর মুযদালিফার খোলা ময়দান। হজ্জের আগে জায়গাগুলো চিনে রাখলে হজ্জের দিনগুলো অনেক সহজ লাগে।
মক্কা থেকে ৮–২২ কিমি — বাসে ঘুরিয়ে দেখানো হয়
আধা বেলার ট্যুর · প্রবেশ ফ্রি
আমাদের নিয়মিত জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
মক্কা
জাবালে নূর — হেরা গুহা
এই গুহাতেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওপর প্রথম ওহী নাজিল হয় — «ইকরা»। নবুয়তের সূচনার স্থানটি একবার নিজ চোখে দেখতে চান অনেকেই।
হারাম থেকে ~৭ কিমি — ট্যাক্সিতে ২০ মিনিট
ওঠা-নামায় ২–৩ ঘণ্টা, সিঁড়ি অনেক · ফ্রি
ঐচ্ছিক — সুস্থ-সবলদের জন্য
ٱلْحُدَيْبِيَةঐতিহাসিক স্থান
মক্কা
হুদাইবিয়া (মসজিদে শুমাইসি)
ষষ্ঠ হিজরির ঐতিহাসিক হুদাইবিয়ার সন্ধি এখানেই — কুরআনে যাকে বলা হয়েছে «ফাতহুম মুবিন», স্পষ্ট বিজয়। মক্কাবাসীর উমরাহর মিকাতও এটি।
হারাম থেকে ~২৪ কিমি — জিয়ারা বাসে
প্রবেশ ফ্রি
আমাদের নিয়মিত জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
মক্কা
কিসওয়া কারখানা ও জাদুঘর
কাবা শরীফের কালো গিলাফ — সোনা-রুপার সুতোয় ক্যালিগ্রাফি — কোথায়, কীভাবে তৈরি হয় তা নিজ চোখে দেখার সুযোগ।
উম্মুল জুদ এলাকা — আগাম অনুমতি লাগে, আমরা ব্যবস্থা করি
নুসুক অ্যাপে আগাম অনুমতি (তাসরিহ) লাগে — প্রতিটি হাজীর জন্য আমরাই করে দিই
আমাদের নিয়মিত জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
মদিনা
মসজিদে কুবা
ইসলামের ইতিহাসের প্রথম মসজিদ। হাদিসে এসেছে — অজু করে কুবায় গিয়ে দুই রাকাত পড়লে এক উমরাহর সওয়াব।
মসজিদে নববী থেকে ~৫ কিমি · ফ্রি
দুই রাকাতে এক উমরাহর সওয়াব
আমাদের নিয়মিত জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
মদিনা
উহুদ পাহাড় ও শুহাদার মাজার
উহুদ যুদ্ধের প্রান্তর — সাইয়িদুশ শুহাদা হামজা (রাঃ)-সহ সত্তর শহীদের কবর। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, «উহুদ আমাদের ভালোবাসে, আমরাও উহুদকে ভালোবাসি।»
মসজিদে নববী থেকে ~৫ কিমি · ফ্রি
আমাদের নিয়মিত জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
মদিনা
মসজিদে কিবলাতাইন ও খন্দক
যে মসজিদে এক নামাজের মাঝেই কিবলা বদলের নির্দেশ নাজিল হয়। কাছেই খন্দক যুদ্ধের সাত মসজিদ এলাকা।
মসজিদে নববী থেকে ~৪ কিমি · ফ্রি
আমাদের নিয়মিত জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
মদিনা
বদর প্রান্তর
দ্বিতীয় হিজরির বদর যুদ্ধ — ৩১৩ জন সাহাবির ঈমানি বিজয়ের ময়দান ও শহীদদের কবরস্থান।
মদিনা থেকে ~১৩০ কিমি — দিনব্যাপী ট্যুর
বিশেষ ট্যুর — আগে জানালে ব্যবস্থা হয়
তায়েফ
তায়েফ — পাহাড়ের শহর
রাসূল (ﷺ)-এর তায়েফ সফরের স্মৃতিবিজড়িত শহর — মসজিদে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ), আল-হাদার পাহাড়ি পথ, ক্যাবল কার আর গোলাপ বাগান।
মক্কা থেকে ~৯০ কিমি — আল-হাদা রোডে দেড় ঘণ্টা
ক্যাবল কার টিকিট ~৮০ রিয়াল (ঐচ্ছিক)
আমাদের তায়েফ জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
جَنَّة الْمُعَلَّاةঐতিহাসিক স্থান
মক্কা
জান্নাতুল মুআল্লা
মক্কার প্রাচীন কবরস্থান — উম্মুল মুমিনিন খাদিজা (রাঃ)-সহ রাসূল (ﷺ)-এর একাধিক প্রিয়জন ও বহু সাহাবি এখানে শায়িত। কবর জিয়ারতের সুন্নত আদায় ও আখিরাতের স্মরণের জায়গা।
হারাম থেকে ~১.৫ কিমি · প্রবেশ ফ্রি
নির্দিষ্ট সময়ে খোলা — মোয়াল্লেম সময় জানিয়ে দেন
আমাদের নিয়মিত জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
جَبَل ثَوْرঐতিহাসিক স্থান
মক্কা
জাবালে সাওর
হিজরতের রাতে রাসূল (ﷺ) ও আবু বকর (রাঃ) তিন দিন এই পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নেন — কুরআনের «তারা দুজনের দ্বিতীয়জন, যখন তারা গুহায় ছিল» (সূরা তাওবা: ৪০) এই ঘটনারই স্মৃতি।
হারাম থেকে ~৪ কিমি দক্ষিণে — জিয়ারা বাসে দেখানো হয়
চূড়ায় ওঠা কষ্টসাধ্য — অধিকাংশ হাজী নিচ থেকে দেখেন
আমাদের নিয়মিত জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
مَسْجِد التَّنْعِيمঐতিহাসিক স্থান
মক্কা
মসজিদে আয়েশা (তানঈম)
মক্কায় থাকা অবস্থায় নতুন উমরাহর ইহরাম বাঁধার নিকটতম মিকাত। বিদায় হজ্জের সময় আয়েশা (রাঃ) এখান থেকেই উমরাহর ইহরাম বেঁধেছিলেন — তাই নাম «মসজিদে আয়েশা»।
হারাম থেকে ~৭ কিমি — দ্বিতীয় উমরাহর সময় আমরাই নিয়ে যাই
প্রবেশ ফ্রি · গোসল-অজুর সুব্যবস্থা আছে
আমাদের নিয়মিত জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
مَسْجِد الْخَيْفঐতিহাসিক স্থান
মক্কা
মসজিদ আল-খাইফ (মিনা)
মিনার সবচেয়ে বড় ও ঐতিহাসিক মসজিদ — হাদিসে এসেছে, সত্তর জন নবী এই মসজিদে সালাত আদায় করেছেন। হজ্জের দিনগুলোতে মিনায় অবস্থানকালে এখানে জামাতে শরিক হওয়ার চেষ্টা করুন।
মিনায়, জামারাতের নিকটে — তাঁবু থেকে হাঁটা পথ
হজ্জ মৌসুমে খোলা · প্রবেশ ফ্রি
হজ্জের সফরে দেখা হয়
بَقِيع الْغَرْقَدঐতিহাসিক স্থান
মদিনা
জান্নাতুল বাকি
মদিনার প্রধান কবরস্থান — উসমান (রাঃ), রাসূল (ﷺ)-এর স্ত্রীগণ ও কন্যাগণসহ প্রায় দশ হাজার সাহাবি এখানে শায়িত। মসজিদে নববীর পাশেই — সালাম ও দোয়ার জায়গা।
মসজিদে নববীর পূর্ব পাশে · ফ্রি
পুরুষদের জন্য ফজর ও আসরের পর নির্দিষ্ট সময়ে খোলা
আমাদের নিয়মিত জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
مَسْجِد الْغَمَامَةঐতিহাসিক স্থান
মদিনা
মসজিদে গামামা
রাসূল (ﷺ) জীবনের শেষ বছরগুলোতে ঈদের সালাত ও ইসতিসকার (বৃষ্টি প্রার্থনার) সালাত এখানে আদায় করেন — দোয়ার পর মেঘ এসে ছায়া দিয়েছিল বলে নাম «গামামা» অর্থাৎ মেঘ।
মসজিদে নববী থেকে ~৫০০ মিটার — হেঁটেই যাওয়া যায়
আমাদের নিয়মিত জিয়ারায় অন্তর্ভুক্ত
وَادِي الْبَيْضَاءঐতিহাসিক স্থান
মদিনা
ওয়াদি আল-জিন (ওয়াদি বাইদা)
মদিনার উত্তর-পশ্চিমের বিস্ময়কর উপত্যকা — বন্ধ গাড়িও ঢালু পথে আপনা-আপনি গড়ায় বলে লোকমুখে «জিনের উপত্যকা»; আসলে এটি ভূ-প্রকৃতির চোখধাঁধানো দৃষ্টিভ্রম। পরিবার নিয়ে ঘোরার জনপ্রিয় জায়গা।
মদিনা থেকে ~৩০ কিমি — আধা বেলার ট্যুর
প্রবেশ ফ্রি
ঐচ্ছিক ট্যুর — আগ্রহীদের জন্য
স্বচ্ছ মূল্য, লিখিত প্রতিশ্রুতি
হজ্জ প্যাকেজ ২০২৭ / ১৪৪৮ হিজরি
হারাম থেকে দূরত্ব, খাবার, মোয়াল্লেম — যা যা পাবেন সব লিখিত। কোনো লুকানো খরচ নেই, ইনশাআল্লাহ।
যে দুই শহরের মেহমান হবেন আপনি — সেখানে আপনার থাকা, খাওয়া ও যাতায়াতের পুরো দায়িত্ব আমাদের।
মক্কা মুকাররমা
مكة المكرمة
কাবা শরীফ তাওয়াফ, সাফা-মারওয়ায় সাঈ — হজ্জ ও উমরাহর মূল আমলগুলোর শহর। আমাদের হোটেল হারাম শরীফের হাঁটা দূরত্বে।
হারাম থেকে ০–৬০০ মিটারে হোটেল
জামাতে তাওয়াফ — মোয়াল্লেমের তদারকিতে
মিনা-আরাফাহ-মুযদালিফা যাতায়াত
মদিনা মুনাওয়ারা
المدينة المنورة
মসজিদে নববীতে নামাজ, রিয়াজুল জান্নাতে দোয়া ও রওজা শরীফ জিয়ারত — রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর শহরে ৮–১০ দিন।
মসজিদে নববীর নিকটে হোটেল
রিয়াজুল জান্নাতের অনুমতি (তাসরিহ)
উহুদ, কুবা, কিবলাতাইন জিয়ারা ট্যুর
অধ্যাপক ড. মাওলানা দেলওয়ার হোসেন আনসারী
চেয়ারম্যান ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক
চেয়ারম্যানের বাণী
হজ্জ ব্যবসা নয় — আমানত
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রতি বছর নিজে কাফেলার সাথে থেকে দেখেছি — একজন হাজীর সবচেয়ে বড় প্রয়োজন দামি হোটেল নয়, বরং এমন একজন মানুষ যিনি প্রতিটি ধাপে হাত ধরে বলবেন, «ভয় নেই, আমি আছি।»
আল্লাহর মেহমানদের খেদমতকে আমরা ব্যবসা নয়, আমানত মনে করি। যা প্রতিশ্রুতি দিই তা লিখিত দিই, আর যা পারব না তা আগেই বলে দিই। আপনার ও আপনার পরিবারের হজ্জ কবুল হোক — এই দোয়াই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওনা, ইনশাআল্লাহ।
রেজিঃ নং ০০০৯২৩৯ প্রতি কাফেলায় নিজে উপস্থিত হজ্জ প্রশিক্ষণের প্রধান শিক্ষক
আমাদের কাফেলার অ্যালবাম
ছবিগুলো আমাদের হাজীদের — গল্পগুলোও
স্টক ছবি নয় — মিকাতের ইহরাম থেকে আরাফাহর ময়দান, প্রতিটি ছবি আমাদের কাফেলার সত্যিকারের মুহূর্ত, হাজীদের অনুমতি নিয়ে প্রকাশিত।
আরাফাহর ময়দানে চেয়ারম্যানের পরিচালনায় মুনাজাত — হজ্জের সবচেয়ে বড় মুহূর্তে কাফেলা একসাথে
উমরাহ শেষে হাজীদের অনুভূতি ও দোয়া — এই দোয়াই আমাদের সবচেয়ে বড় পাওনা
মিকাতে ইহরাম — সেলাইবিহীন দুই কাপড়ে নিয়ত ও তালবিয়ায় সফরের শুরুকাবা শরীফের সামনে আমাদের কাফেলা — হজ্জ ১৪৪৭ হিজরিতাওয়াফ শেষে মাতাফে — বুকভরা আলহামদুলিল্লাহআরাফাহর ময়দানে জাবালে রহমতের পাদদেশে — হজ্জের মহান দিনতায়েফ জিয়ারা — মসজিদে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ)হোটেলে অভ্যর্থনা — জমজম, খেজুর ও শরবতে হাজীদের বরণহজ্জ ফ্লাইটে যাত্রা — ঢাকা থেকে জেদ্দাহজ্জ প্রশিক্ষণ মাহফিলে চেয়ারম্যানহারাম শরীফে ভাই-ভাই — এক কাফেলা, এক পরিবারসার্বক্ষণিক খেদমতে আমাদের স্বেচ্ছাসেবক দলমক্কা মুকাররমায় কাফেলার সদস্যরা
আজ থেকেই প্রস্তুতি
শেখা শুরু হোক ঘরে বসেই
দোয়া মুখস্থ, ব্যাগ গোছানো, বড়দের যত্ন — ছোট ছোট প্রস্তুতিই সফরকে নির্ভার করে।
হারামাইন কর্তৃপক্ষের সাপ্তাহিক ঘোষণা অনুযায়ী — প্রতি সপ্তাহে হালনাগাদ হয়। সৌদি সময় বাংলাদেশের চেয়ে ৩ ঘণ্টা পিছিয়ে। সফরের সময় মোয়াল্লেম আপনাকে চলতি সূচি জানিয়ে দেবেন।
দ্বীনি ক্যালেন্ডার
সারা বছরের বিশেষ আমল ও রোজা
শুধু হজ্জ-উমরাহ নয় — আশুরা থেকে লাইলাতুল কদর, বছরজুড়ে বিশেষ দিনগুলোর আমল আর সঠিক তারিখ আমরা মনে করিয়ে দিই।
৯–১০ মুহাররম
আশুরার রোজা
আশুরার রোজায় বিগত এক বছরের গুনাহ মাফের আশা (সহিহ মুসলিম)। সাথে ৯ তারিখেও রোজা রাখা সুন্নত।
প্রতি হিজরি মাসের ১৩–১৫
আইয়ামে বীজের রোজা
পূর্ণিমার তিন দিনের রোজা — প্রতি মাসে তিনটি রোজার সুন্নত, সারা বছরের রোজার সওয়াবের আশা।
প্রতি সপ্তাহে
সোম ও বৃহস্পতিবারের রোজা
এই দুই দিনে বান্দার আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয় — রাসূল (ﷺ) এ দিনগুলোতে রোজা রাখতেন।
১৫ শাবানের রাত
শবে বরাত
ক্ষমা প্রার্থনার রাত — তওবা, ইবাদত ও দোয়া। পরদিন নফল রোজা রাখার আমলও রয়েছে।
রমজানের শেষ দশক
লাইলাতুল কদর
হাজার মাসের চেয়ে উত্তম রাত — বিজোড় রাতগুলোতে বেশি দোয়া: «আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি»।
১–১০ জিলহজ্জ
জিলহজ্জের দশক ও আরাফাহর রোজা
বছরের শ্রেষ্ঠ দশ দিন। হাজীরা থাকেন আরাফাহয়, আর বাকিদের জন্য আরাফাহর রোজায় দুই বছরের গুনাহ মাফের আশা।
বিশেষ দিনের আগে দোয়া, নিয়ম ও সঠিক তারিখ আমাদের ফেসবুক পেজ ও হোয়াটসঅ্যাপে জানিয়ে দেওয়া হয়।আপডেট পেতে মেসেজ করুন
হাজীদের অভিজ্ঞতা
হাজীদের মুখেই শুনুন
দশ জেলার দশজন হাজী — কেউ লিখেছেন খাবারের কথা, কেউ মায়ের হুইলচেয়ারের। ফিরে আসা হাজীদের এই দোয়াগুলোই আমাদের আসল পুঁজি।
আলহামদুলিল্লাহ, হোটেল হারামের এত কাছে ছিল যে প্রতি ওয়াক্ত জামাতে পড়তে পেরেছি। মোয়াল্লেম সাহেব প্রতিটি ধাপে হাতে ধরে শিখিয়েছেন।
আআলহাজ আব্দুর রহমানচট্টগ্রাম · হজ হজ্জ ২০২৫
বৃদ্ধ বাবা-মাকে নিয়ে গিয়েছিলাম। হুইলচেয়ার থেকে ওষুধ মনে করিয়ে দেওয়া — ওনাদের যত্ন ছিল নিজের সন্তানের মতো।
ফফাতেমা বেগমসিলেট · হজ হজ্জ ২০২৪
প্রথমবার, কিছুই জানতাম না। তিনটা প্রশিক্ষণ ক্লাস আর হাতের গাইডবুক — প্রতিটি নিয়ম নির্ভয়ে পালন করেছি, আলহামদুলিল্লাহ।
মমোঃ ইউসুফ আলীরাজশাহী · হজ হজ্জ ২০২৫
চল্লিশ দিন তিন বেলা দেশি খাবার — ভাত, মাছ, ডাল। মিনার তাঁবুতেও গরম খাবার পৌঁছে গেছে। খাবার নিয়ে একদিনও ভাবতে হয়নি।
হহাফেজ মাহমুদুল হাসানকুমিল্লা · হজ হজ্জ ২০২৫
মাহরাম ছাড়া মহিলা দলে গিয়েছিলাম। মহিলা গাইড আপা তাওয়াফ থেকে বাজার — সবসময় ছায়ার মতো সাথে ছিলেন। একবারও অসহায় লাগেনি।
ররাশিদা খাতুনঢাকা · হজ উমরাহ ২০২৫
পাসপোর্ট জমা দেওয়া ছাড়া নিজে কিছুই করতে হয়নি — ভিসা, নিবন্ধন, টিকা, সব ওনারা গুছিয়ে দিয়েছেন। অফিসের ছুটি মিলিয়ে তারিখটাও ঠিক করে দিলেন।