আসসালামু আলাইকুম। কাগজপত্র নিয়ে অনেকে অযথা টেনশন করেন। আসলে হজ্জ ভিসার মূল কাগজ হাতে গোনা কয়েকটি, আর তার বেশিরভাগ ব্যবস্থা আমরাই করে দিই। নিচে গুছিয়ে দিলাম কী কী আগে থেকে প্রস্তুত রাখলে নিবন্ধন ঝামেলাহীন হয়।
হজ্জ ভিসার জন্য কী কী লাগে?
মূল কাগজ চারটি — মেয়াদসহ পাসপোর্ট, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের সাম্প্রতিক ছবি, মেনিনজাইটিস টিকার সনদ আর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি। এগুলো ঠিক থাকলে বাকি নিবন্ধন ও ভিসা প্রক্রিয়া আমরাই এগিয়ে নিই। হজ্জ যেহেতু সরকারি নিবন্ধনের মাধ্যমে হয়, তাই প্রতিটি কাগজ সঠিক থাকা জরুরি।
নিবন্ধনের আগে হাতে রাখুন
ছবির সংখ্যা, ফরমের ধরন আর টিকার হালনাগাদ নিয়ম প্রতি বছর সামান্য বদলাতে পারে। নিবন্ধনের আগে আমাদের অফিস থেকে চলতি বছরের সঠিক তালিকাটি নিশ্চিত করে নিন — তাহলে দুবার দৌড়াতে হবে না।
পাসপোর্টের মেয়াদ কতদিন থাকতে হয়?
পাসপোর্টের মেয়াদ ভ্রমণের সময় থেকে কমপক্ষে ১৮ মাস রাখা নিরাপদ। মেয়াদ কম থাকলে বা পাসপোর্ট পুরনো হলে আগেভাগে নবায়ন করে ফেলুন — শেষ মুহূর্তে এই এক কারণেই অনেকের যাত্রা আটকে যায়। নামের বানান পাসপোর্ট, NID আর টিকার সনদে যেন হুবহু এক থাকে, সেটাও মিলিয়ে নিন।
নামের বানানে অমিল হলে ভিসায় জটিলতা হতে পারে। তাই কাগজপত্র জমা দেওয়ার আগে তিন জায়গার বানান একবার মিলিয়ে নিন — মনে রাখবেন, ইংরেজি বানান পাসপোর্ট অনুযায়ীই হবে।
টিকা — কোনটা বাধ্যতামূলক?
মেনিনজাইটিস (ACWY) টিকা হজ্জযাত্রীদের জন্য বাধ্যতামূলক — এর সনদ ছাড়া ভিসা ও প্রবেশ দুটোই আটকে যায়। টিকা নেওয়ার পর সনদটি যত্ন করে রাখুন, ভিসা আবেদন থেকে সৌদি এয়ারপোর্ট পর্যন্ত বারবার লাগবে। এর বাইরে সময়ভেদে অন্য টিকার নির্দেশনা এলে আমরা আগেভাগে জানিয়ে দিই।
সনদের একটা ছবি তুলে নিজের মোবাইলেও রেখে দিন। মূল সনদ হাতব্যাগে রাখবেন — লাগেজে নয়, কারণ এটি এয়ারপোর্টে চেক হয়।
কোন কাজগুলো আমরা করে দিই?
আপনার দায়িত্ব শুধু সঠিক কাগজ জমা দেওয়া — বাকি ভিসা, সরকারি নিবন্ধন আর টিকা-সংক্রান্ত ব্যবস্থা আমরা গুছিয়ে দিই। কোন কাগজ কখন লাগবে, তা ধাপে ধাপে জানিয়ে দেওয়া হয়, যেন এক জায়গায় বসেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। কোথাও আটকে গেলে আমাদের অফিস তো আছেই।
- সরকারি হজ্জ নিবন্ধন ও প্রি-রেজিস্ট্রেশন
- ভিসা আবেদন ও প্রক্রিয়াকরণ
- টিকা ও স্বাস্থ্যসনদের প্রস্তুতি সহায়তা
- যাত্রার আগে হজ্জ প্রশিক্ষণ ও গাইডবুক
